বৃহস্পতিবার, ৩০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শেরপুরে পুকুর থেকে বস্তাবন্দি কিশোরীর লাশ উদ্ধার

আনিছ আহমেদ শেরপুর প্রতিনিধিঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বস্তাবন্দি অবস্থায় মিম (১৪) নামের এক কিশোরীর লাশ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ। ২৪ জুলাই রবিবার সকাল আনুমানিক ১০.৪৫ ঘটিকায় স্থানীয়রা বস্তাবন্দি লাশটি পুকুরে ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেন। মিম উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা মমিন মিয়ার মেয়ে।

পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে মিম কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল। ৫ বোন ও তিন ভাইয়ের মধ্যে মিম সবার ছোট। শুক্রবার বিকাল থেকেই মিম নিখোঁজ ছিল। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাচ্ছিল না। ইতিপূর্বেও একাধিকবার মিম কাওকে না বলে নিখোঁজ হলে বিভিন্ন স্থান থেকে তাকে উদ্ধার করে আনা হয়। তাই মিমের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে কোন মিসিং ডায়েরী করা হয়নি বলে জানা যায়।

রবিবার দুপুরে এলাকাবাসী বাকাকুড়া বাজারের পূর্ব দিকে রাস্তার পাশে আবু সাঈদ এর পুকুরে বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি লাশ ভাসতে দেখেন। এসময় সালোয়ার পরিহিত একটি পা বস্তার বাইরে বেরিয়ে ছিল। খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের লোকজন লাশটির পরিচয় নিশ্চিত করেন। এলাকাবাসী ধারণা করছেন মিমকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ মিমের মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে।

খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আফরোজা নাজনীন, ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মণিরুল আলম ভূঁইয়া, ওসি তদন্ত আবুল কাশেম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সিআইডি, পিবিআই এবং র‌্যাব-১৪ জামালপুর এর একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছিলেন।

এবিষয়ে ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মণিরুল আলম ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করে করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত আছে তবে এখনো হত্যা রহস্যের বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বুঝা যাবে। মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষঃ