মঙ্গলবার, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সময়মতো ছাড়ছে না ট্রেন, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদুল আজহার আগে সড়ক পথের ভোগান্তি ছিল চরমে। কমলাপুর থেকে ট্রেনও ছেড়েছে বিলম্বে। এসব বিষয় মাথায় রেখেই এবার রাজধানীতেই পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করেছেন শফিউল্লাহ শিকদার। তবে ঈদের পর গ্রামে পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় নীলসাগর এক্সপ্রেসযোগে শনিবার (১৬ জুলাই) নীলফামারী যাওয়ার কথা তার। সঙ্গে ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের চার সদস্য রয়েছেন।সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে নীলসাগর এক্সপ্রেস কমলাপুর ছেড়ে যাওয়ার কথা। তবে ৬টার আগে পরিবার নিয়ে কমলাপুর স্টেশনে এসে ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তিনি জানেন না ট্রেন কখন কমলাপুর পোঁছাবে। স্টেশন কর্তৃপক্ষ মাইকে ঘোষণা দিচ্ছে- কেউ যদি যাত্রা বাতিল করতে চান তাহলে ৫ নম্বর কাউন্টারে নীলসাগর ট্রেনের টিকিট ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারবেন।

এদিকে শফিউল্লাহ’র সঙ্গে থাকা শিশুপুত্রকে নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তিনি বলেন, ঈদের আগে টিকিট কাটায় ভোগান্তি ছিল, ট্রেন ছেড়েছে বিলম্বে। আবার সেই ভোগান্তি ঈদের পরও রয়ে গেলো। এর শেষ কোথায়। আমাদের কষ্টের কথা কাকে বলবো।একই কথা বলেন বিল্লাল হোসেন নামের অন্য একজনও। তিনি বলেন, অনেক সময় ধরে অপেক্ষা করছি। এখন কমলাপুর কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিচ্ছে টিকিট চাইলে ফেরত দেওয়া যাবে। তিনি বলেন, আমরা দুই বন্ধু মিলে চিলাহাটি যাবো। কিন্তু ট্রেন কখন আসবে জানি না। আমার সঙ্গে থাকা বন্ধু শাফায়েত এরই মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েছে।

স্টেশন এলাকায় অপেক্ষার পরও কোনো কর্মকর্তাকে না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, নীলসাগর গতকাল (শুক্রবার) অনেক দেরিতে স্টেশন ছেড়েছিল। এ কারণে আসতে দেরি হবে। তবে সেটা কখন আসবে এখনই বলা যাচ্ছে না।এদিকে কমলাপুর স্টেশন এলাকায় স্ক্রিনে লেখা রয়েছে চিলাহাটি অভিমুখী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিলম্বে ছাড়বে। কিন্তু কতটা বিলম্ব হবে সেটা জানানো হয়নি স্ক্রিনে। তবে একটু পর পর মাইকে ঘোষণা হচ্ছে- নীলসাগর এক্সপ্রেসের কেউ যাত্রা বিরতি করতে চাইলে পাঁচ নম্বর কাউন্টারে এসে টিকিট ফেরত দিয়ে সমপরিমাণ টাকা নিতে পারবে।

এদিকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়া বাকি ট্রেনগুলো সকাল পৌনে ৯টায় যথা সময়েই কমলাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছেছে। সেসব ট্রেন ওয়াশ শেষে আবার নিদির্ষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।এছাড়া আজও (১৬ জুলাই) অনেকে ঢাকা ছাড়ছেন। তবে ঢাকা ছাড়ার তুলনায় ঢাকা ফেরা যাত্রীদের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো ছিল। যারা ঢাকায় ফিরছেন তাদের অধিকাংশই চাকরিজীবী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষঃ