শনিবার, ৯ই ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কুমিল্লার মেয়র আরফানুল

কুমিল্লা প্রতিবেদক

টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। ভোট শেষে রেজাল্ট নিয়ে ভোটারদের মাঝে ছিল চরম উত্তেজনা। সকল কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হককে (রিফাত) বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হকের (সাক্কু) চেয়ে ৩৪৩ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

রেজাল্টের অপেক্ষায় সমর্থকরা

আজ বুধবার (১৫ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, নৌকা মার্কার প্রার্থী আরফানুল হক পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুল হক (সাক্কু) পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট।

এই ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন মনিরুল হক। তিনি বলেছেন, পরিকল্পিতভাবে শেষ মুহূর্তে কয়েকটি কেন্দ্রের ফল আটকে রেখে তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার সকাল আটটা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ জানিয়ে ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের গত দুই মেয়াদের মেয়র মনিরুল হক। তিনি বলেছিলেন, ভোটের ফল মেনে নেবেন।

পুরোপুরি ইভিএমে হওয়া এই নির্বাচনের ভোটের ফল সন্ধ্যার পর থেকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে ঘোষণা করা হয়।

ফলাফলে মেয়র পদে আরফানুল হকের ও মনিরুলের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে থাকে। ফল ঘোষণার শেষ পর্যায়ে মনিরুলের একদল নেতাকর্মী শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। তাঁরা মনিরুল হকের নামে স্লোগান দিতে থাকেন।

এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষণা দেন যে, আর চার থেকে পাঁচটি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা বাকি আছে। সেগুলো আসতে দেরি হবে। সে কারণে তাঁরা কাউন্সিলর প্রার্থীদের ভোটের ফল ঘোষণা করবেন।

পরে কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে ফল ঘোষণা মঞ্চের সামনে এসে বসেন মনিরুল হক। ফল ঘোষণা না হলে যাবেন না বলে জানিয়ে দেন তিনি।

এরপর আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হকের একদল সমর্থক মিছিল নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে আসেন। তাঁরা ভোটের ফল ঘোষণা কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন।

তখন পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এরপর কিছুক্ষণ ফল ঘোষণা বন্ধ থাকে।

পরে আরফানুল হককে ৩৪৩ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষঃ